মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
জহিরুল ইসলাম; ডেস্ক রিপোর্টার;
বরগুনার বড় বগি ইউনিয়নের ১৩ নং ক্লাস্টার বড় বগী-০৩, লাউপাড়া গ্রাম সমিতি গত ০৮/০৮/২০২৩ ইং এসডিএফ এর উপজেলার প্রতিনিধি পরিদর্শন করেন।উক্ত গ্রামে সিপি কতৃক গ্রাম সমিতির,ভিসিওর,এসএসসির আর্থিক হিসাব থেকে সঞ্চয় বাবদ ৭০০০/- কিস্তির টাকা ৩২০০/ গ্রাম সমিতি থেকে চেয়ার ক্রয় বাবদ ৫০০০/- টাকা সর্বমোট ১৫২০০ টাকা আত্নসাধ করেন অফিস কর্তৃপক্ষ ০৭ দিনের মধ্যে জমা দিতে বলেন,উক্ত টাকা এনজেসিসিএস সভাপতি বেবির কাছে সিপি জমা দেন,এবং সে সঞ্চয় ও কিস্তি ১০২০০ টাকা জমা দেন বাকি ৫০০০/- টাকা, জেলা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, ও জেলার জুনিয়ার হিসাব রক্ষক জহিরুল ইসলাম জমা দিতে নিষেধ করেন,যে আমরা বরগুনা থেকে তালতলি গিয়ে হোটেলে খেতে সমস্যা হয়, যেহেতু গ্রামে বিল করা আছে তাই ঐ টাকা দিয়ে গ্যাসের চুলা ক্রয় করিবো, আমরা যেন পাক করে খেতে পারি। পরক্ষণে তারা সে কাজটিই করেছেন,এই বিষয়ের উপর গ্রাম সমিতির পক্ষে অজুফা বেগম এবং জেলা অফিসে এনজেডিসিএস সেক্রেটারির কেক কেটে জন্ম দিন পালন করেন মর্মে পৃথক দুইটি অভিযোগ ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দায়ের করেন,এবং গত ১৬/০৯/২০২৪ইং বরিশাল আঞ্চলিক অফিস থেকে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আইসিবি,ইয়ুথ এন্ড জিএ মোঃ শফিকুল ইসলাম ( রাজা) ও আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক হিসাব মোঃ মেজবা আহাম্মেদ অডিট করতে আসেন, আমাদের অনুসন্ধান রিপোর্ট অনুযায়ী গ্রাম বাসি তাঁদের মনের ক্ষোপের কথা তুলে ধরেন এবং জেলা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন তার যথেষ্ট প্রমান অডিট টিম কে দিয়েছেন, তারা গ্রাম বাসিকে আশ্বস্ত করেছে আপনারা সঠীক বিচার পাবেন।অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে তারা গ্রামে না গিয়ে লাউপাড়া বাজারের একটি দোকানে বসে অভিযোগ কারি ও সভাপতির জবানবন্দি আনেন কোন বিল ভাউচার ও দেখেনি,শুধু তা-ই না যার বিরুদ্বে অভিযোগ করেছেন তাকে অডিট টিম তাদের গাড়িতে সেখানে নিয়ে গেছেন, গ্রাম বাসির তোপের মুখে পরে ভিক্টিম কে সরিয়ে দেয়া হয়,অন্য দিকে জেলা অফিসে জেলা এনজেডিসিএসকে না ডেকে জেলা কর্মকর্তা তার পক্ষে যারা স্বাক্ষি দিবে তাদের এবং জেলার,উপজেলার কর্মকর্তা দ্বারা লিখিত নিয়েছেন, ভিক্টিম হলো তাদের সমকক্ষ একইলেভেলে চাকুরি করেন বিধায় তার সপক্ষে উপরের ইশারায় রিপোর্ট প্রদান করেন, আমরা জানতে পরছি অভিযুক্ত কারি সেই ক্লাস্টারে গিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে বেড়ায় যারা এর সাথে জরিত তাঁদেরকে বাদ দিলে কি করার আছে, হুমায়ুন কবির বলেন আমার কিছুই হবেনা আরডি স্যার,সহ ঢাকার সবাই আমার সংঙ্গে আছে।অভিযুক্ত কারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বরগুনার এসডিএফ এর কাজ হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। ইতি পুর্বে আরডি সহ ঢাকায় কয়েকটি দপ্তরে জেলা এনজেডিসিএস অভিযোগ করেন তার কোন প্রতিকার না পেয়ে পুনরায় এসডিএফ চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।অভিযুক্ত কারি খুব চাটুকারিতা অবলম্বন করেন সে বিভিন্ন উপহার দিয়ে ম্যানেজ করেন বসদের কে।